• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীর বাসচালক হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা নান্টুসহ গ্রেপ্তার দুই অভ্যন্তরীণ অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে গণমাধ্যম সংলাপ অনুষ্ঠিত গোদাগাড়ী স্কুলের এসএসসি ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা রামেক ছাত্রদলের সভাপতি নূর, সম্পাদক রীমন রাজশাহীতে ইলেকট্রিক বাইক আনল রিভো বাংলাদেশ রংপুর বিভাগীয় সমিতির সভাপতি ডা. মতিউল, সম্পাদক সাংবাদিক সাজু রাজশাহীর নিউমার্কেটের আগুনে পোড়া ১২ দোকানীকে রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ ও বাপার সহায়তা রাজশাহীতে ৫ রত্নগর্ভা মাকে ও দুই সংগ্রামী নারীকে সম্মাননা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে সোনা, দেড় লাখ ছাড়ালো ভরি রাজশাহীতে নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়ছেই, ৫৭ শতাংশই রাজশাহীর
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisangbad.com

মেসির সঙ্গে বার্সার চুক্তিপত্র নিলামে ১১ কোটি টাকায় বিক্রি

স্পোর্টস ডেস্ক
সর্বশেষ: শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪

বার্সেলোনা-লিওনেল মেসি যেন একই সূত্রে গাঁথা। ক্লাবটির বড় একটি অংশ শুধু এই মেসিকে দেখেই সমর্থক বনেছে।

তাইতো মেসি না থাকলেও ক্লাবটিকে অনেকেই মেসির ক্লাব বলেই চিনে থাক। যার প্রমাণ মিলেছে আরও একবার। কাতালানদের সঙ্গে মেসির চুক্তির বিখ্যাত সেই ন্যাপকিন পেপার বিক্রি হয়েছে অনেক বেশি দামে।
গতকাল নিলামে তোল ন্যাপকিন পেপারটির দাম ওঠে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ কোটি ২৯ লাখ টাকা)। ব্রিটিশ নিলাম হাউস বোনহামস-এ এই নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে ন্যাপকিন পেপারের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছিল ৩ লাখ ডলার। অথচ ধারণার চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে এই পেপারটি।

বোনহামস জানিয়েছে, ন্যাপকিন পেপারটি গ্যাগিওলির কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি নিলামে যে দামে বিক্রি হয়েছে, সেখান থেকে একটি অংশ অনলাইন নিলামের প্রশাসনিক ফি হিসেবে দিতে হবে—এটি ‘ক্রেতার প্রিমিয়াম’।

১৩ বছর বয়সে এই ন্যাপকিন পেপারেই মেসির সঙ্গে চুক্তির বিষয়াদি লিখা হয়। ২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে ট্রায়ালের জন্য পরিবারের সঙ্গে বার্সেলোনায় যান মেসি। সঙ্গে ছিলেন দুই আর্জেন্টাইন প্রতিনিধি ফাবিয়ান সোলদিনি ও মার্তিন মনতেরো এবং গাজ্জোলি। ট্রায়ালে সবাইকে চমকে দেন মেসি। তাই চুক্তির আশা নিয়ে রোসারিওতে ফেরে তার পরিবার।

এরপর বার্সার সেসময়ের সভাপতি হুয়ান গাসপার্ত মেসির হরমোনজনিত সমস্যায় ভোগার কারণে চুক্তিটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ভেবেছিলেন। তবে তাকে রাজি করানোর জন্য বার্সেলোনার তখনকার টেকনিক্যাল সেক্রেটারি কার্লো রেক্সাসকে চাপ দেন গাজ্জোলি ও মিনগেলা। শেষ পর্যন্ত চুক্তির কথা লেখা হয়েছিল ওই ন্যাপকিন পেপারে। বাকিটা কেবলই ইতিহাস। যা কোনো ফুটবলপ্রেমির অজানা নয়।


আরো খবর