• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু তানোরে গরু মোটাতাজা করণে নিষিদ্ধ ওষুধের রমরমা বাণিজ্য  রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার নতুন তথ্য দিল তদন্ত কমিটি শহিদ কামারুজ্জামানের সমাধীতে বঙ্গবন্ধু কলেজ রাজশাহীর গভর্নিং বডির সদস্যদের শ্রদ্ধা বাগমারায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত যুবকের মৃত্যু নগরীতে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রতারণার দায়ে যুবক গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি হলেও অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে: কাদের ভিডিও ফুটেজে দেখা গেল স্যুটকেসসহ এমপি আনারের ‘দুই কিলার’ রাজশাহীতে ইনোভেশন ফর ক্লাইমেট-স্মার্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট শীর্ষক প্রকল্পের কর্মশালার উদ্বোধন নগরীতে পুলিশের পৃথক দুটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

রাজশাহীতে আবারো তাপমাত্রার সর্বোচ্চ রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
সর্বশেষ: বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪

রাজশাহীতে একদিনে ব্যবধানে আবারো মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) তাপমাত্রার পারদ উঠেছে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মুলত সকালের দিকে তাপমাত্রা কম থাকলেও দুপুরের পর বেড়ে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

এক দিকে তাপমাত্রার পারদ উর্ধমূখি অন্য দিকে খাঁ খাঁ করছে রোদ। দুই মিলে রাজশাহীর বাতাসে আগুনের হল্কা। ঘরে বাইরে, বা গাছের ছাঁয়াতেও মিলছে না স্বস্তি। বিশেষ করে রমজানের শেষ ভাগে এসে  প্রখর রোদ  আর গরমে মানুষসহ প্রাণীকুলের নাভিশ্বাস উঠেছে।

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের উচ্চ পর্যবেক্ষক মো. গাওসুজ্জামান জানান, রাজশাহীতে আজ বৃহস্পতিবার চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বিকেল ৩টায় রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এর আগে ১ এপ্রিল রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন ৩১ মার্চ ছিল ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর আবার একদিনের ব্যবধানে ফের তাপমাত্রার রেকর্ড হলো। আর ভারী বৃষ্টি ছাড়া এই তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

রাজশাহীর ওপর দিয়ে কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। আগামী কয়েকদিনে রাজশাহীর সর্বোচ্চ এই তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন এ কর্মকর্তা।

এদিকে খেটেখাওয়া দিনমজুররা এই আগুনমুখো আবহাওয়ার মধ্যেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিবার ও পরিজনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

ঘরে বাইরে কোথাও এক রত্তি স্বস্তি নেই। প্রতিটি ভবনের ট্যাপকল দিয়েই বের হচ্ছে ফুটন্ত পানি। আর শহরের টিনশেড বাড়িগুলো যেন পরিণত হয়েছে অগ্নিকুণ্ডে। ভেতরে থাকা মানুষগুলো তাই যারপরনাই দুর্ভোগে পড়েছেন। বেলা ১০টার পর নগরীর রাস্তাঘাট হয়ে যাচ্ছে ফাঁকা। গ্রামাঞ্চলের মানুষও প্রখর রোদের কারণে মাঠে কাজে যেতে পারছেন না।


আরো খবর