• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কানে খোলামেলা পোশাক, ভাবনাকে ধুয়ে দিলেন অঞ্জনা পবায় ডাবলু ও মোহনপুরে বকুল বিজয়ী, দুই উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান হলেন যারা মোহনপুরে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সেই হাবিবার বাজিমাত রাজশাহীতে অটোরিকশাকে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ২ নগরীতে দুই অপহরণকারী গ্রেপ্তার, অপহৃত উদ্ধার রাসিক ইমপ্লয়মেন্ট স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ নিয়ে পেইড ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলেন ৯০ জন নিয়ামতপুরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত গোমস্তাপুরে জাতীয় শিক্ষা  সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণী রহনপুরে  কৃতি শিক্ষার্থী  সম্বর্ধনা  বাঘায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সংঘাত ও সহিংসতা পরিহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisangbad.com

রাজশাহীতে ৩৮ মামলায় মুক্তি পেলো ৪১ কিশোর

রিপোর্টার নাম:
সর্বশেষ: সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহীতে ৩৪ মামলায় ৪১ শিশু কিশোরকে মুক্তি দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৫ মার্চ) রাজশাহী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ আদেশ দেন। আদালতে ৪১ শিশু-কিশোরের মধ্যে ৩৫ জন উপস্থিত ছিলেন। অপরাধে না জড়ানোর কারণে তাদের হাতে ফুল আর জাতীয় পতাকা দিয়ে চূড়ান্ত মুক্তি দিয়েছেন রাজশাহীর শিশু আদালত-২।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাজশাহীতে শিশু আইনে হওয়া মামলার মধ্যে মাদক সেবন ও বহন, মারামারির মতো ঘটনায় ৩৪টি মামলায় আসামি হয়েছিল ৪১ জন। তাদের প্রথমবারের মতো এমন অপরাধে অপরাধী হওয়ায় বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান তাদের মুক্তি দেন।

জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রবেশন বলতে বোঝায় কোনো অপরাধীকে তার প্রাপ্য শাস্তি স্থগিত রেখে ও কারাগারে না পাঠিয়ে সমাজে খাপ খাইয়ে চলার সুযোগ দেয়া। প্রবেশন ব্যবস্থায় প্রথম ও লঘু অপরাধে দণ্ডিত শিশু-কিশোর বা অন্য কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে কারাগারে না পাঠিয়ে আদালতের নির্দেশে শর্তসাপেক্ষে প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে নিজ বাসায় বা পরিবারের সঙ্গে থাকার সুযোগ দেয়া হয়।

তিনি বলেন, গত এক বছরে রাজশাহীর শিশু আদালত-২ এর বিজ্ঞ বিচারক প্রায় ৮০টি মামলায় ৮০জন শিশুর কল্যাণে পারিবারিক সম্মেলনের মাধ্যমে ডাইভারশন গ্রহণের জন্য প্রবেশন কর্মকর্তাকে আদেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশে আমরা বিদ্যমান মামলার বাদী ও শিশুর অভিভাবকের উপস্থিতিতে শিশুর চারিত্রিক, মানসিক, আবেগীয় উন্নতির জন্য উপযুক্ত শর্তসমূহ আরোপ করি। ডাইভারশনের মেয়াদ সম্পন্ন এবং আরোপিত শর্তসমূহ যথাযথ ভাবে প্রতিপালন করায় বিজ্ঞ আদালত আজ ৪১ জন শিশুকে চূড়ান্ত মুক্তি দিলেন। এসময় তাদের হাতে ফুল ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।

 


আরো খবর